Evidence Based Healthcare

Genetic Test

খিঁচুনি, বিরল রোগ, মানসিক ও বিকাশজনিত সমস্যার পুরনাঙ্গ “বিজ্ঞানভিত্তিক ডায়াগনোসিসের” জন্য Genetic Test অপরিহার্য। জিনগত ত্রুটির কারণে ঘটিত রোগ শুধু মাত্র জেনেটিক টেস্টের মাধ্যমেই সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব এবং সঠিক গাইডলাইন ও চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। জেনেটিক ত্রূটি নির্ণয় এর পরে খিঁচুনি, বিরল রোগ এবং মানসিক বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের অক্ষমতা গুলো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিউরোলজিস্ট, সাইকোলজিস্ট, অকুপেশনাল ও স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট এর গাইডলাইন অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের বিশেষ কিছু গুণের পারদর্শী করে তোলা যায়।

Read More

Deep Clinical Assessment

শিশুদের অতিরিক্ত চঞ্চলতা, অমনোযোগ, সমবয়সীদের সাথে মিশতে না পারা বা যেকোনো মানসিক বিকাশজনিত সমস্যাগুলি চিহ্নিত করার প্রাথমিক ধাপ হচ্ছে Deep Clinical Assessment. সাইকোলজিকাল এসেসমেন্ট একজন মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থান নির্ণয় করে ও বিভিন্ন বিকাশজনিত সমস্যার চিকিৎসায় এই মূল্যায়নকে প্রায়ই প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।অটিজমের লক্ষণগুলি মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড টেস্টের নাম হলো Autism Diagnostic Observation Schedule – Second Edition (ADOS-2). IQ টেস্ট বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা বা অক্ষমতা নির্ণয় করতে সাহায্য করতে পারে।

Read More

Speech and Language Therapy

Speech and Language Therapy হলো কথা ও ভাষার বিকাশের চিকিৎসা ব্যবস্থা। অটিজম ও অন্যান্য ভাষাগত সমস্যার সমাধান হচ্ছে Speech and Language Therapy. স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি একটি বিজ্ঞা্নসম্মত চিকিৎসা ব্যাবস্থা যার মাধ্যমে শিশু থেকে বয়স্ক সকল ব্যক্তির কথা/ভাষা বুঝতে পারা, বলতে পারা, খাবার চাবানো বা গিলতে সহযোগিতা করা তথা পুরোপুরি যোগাযোগ সমস্যার সঠিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। রোগীর যদি স্পিচ সংক্রান্ত জিনে কোনো ক্ষতিকারক মিউটেশন থাকে, সে ক্ষেত্রে ১০০% উন্নয়ন আশা করা যায়না। তবে থেমে না থেকে ধৈর্য ধরে স্পিচ থেরাপির সেশন চলতে থাকলে অনেকটাই পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

Read More

Occupational Therapy

অকুপেশনাল থেরাপি এমন একটি বিজ্ঞান সম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি , যার মাধ্যমে দৈনন্দিন কাজে যথাসম্ভব স্বনির্ভর করার লক্ষে শিশুর শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিকভাবে অসুস্থ - যেমন : অটিজম, এডিএইচডি, ডাউন সিনড্রোম, সেরিব্রাল পালসি, স্পাইনা বাইফিডা, বাঁকানো পা বা ক্ল্যাব ফিট ও অন্নান্য নিউরো ডেভেলমেন্টাল ডিজিজের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। শিশুর বৃদ্ধি একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। একেক বয়সে শিশুর একেক কাজ করাকে, শিশুর বিকাশের স্তর বলে। কখনো কখনো তার এই বিকাশ সম বয়সী অন্য বাচ্চাদের তুলনায় ধীরে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তার এই বিলম্বের সঠিক কারণটি জানা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়, কারণ শিশু নিজে প্রস্তুত না হলে তাকে হাঁটতে শেখার জন্য জোর করলে কোনো উপকার হয় না।

Read More

Physiotherapy

যেকোনো ধরনের আঘাত ও স্নায়বিক সমস্যার কারণে শিশুদের মাংস পেশির দুর্বলতা,ভারসাম্যহীনতা. হাটতে বসতে ও চলতে দেরি করা. খিচুনির জন্য হাটতে বা বসতে দেরি করা এবং ঘাড় শক্ত বা নরম হওয়া; চলাচলের অক্ষমতাজনিত যাবতীয় সমস্যা ও গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য যে স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন সেবা প্রদান করা হয় তার নাম হলো Physiotherapy.

Read More

Behavior Modification Therapy

যে সকল শিশুদের আচার-আচরণে সমস্যা দেখা যায়, চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারে না, নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারে না, তাদের জন্য কার্যকরী প্রক্রিয়া হচ্ছে Behavior Modification Therapy. এটি মূলত একজন ব্যক্তির আচরণ বা ব্যবহারজনিত সমস্যাগুলি পরিবর্তন করার থেরাপি।এই ধরনের থেরাপি একজন মানুষের ইতিবাচক/নেতিবাচক বিষয়গুলিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কৌশল এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিশেষ এই থেরাপির লক্ষ্য হল কার্যকরভাবে এবং ধীরে ধীরে নেতিবাচক আচরণকে ইতিবাচক আচরণ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা।

Read More

Our Doctors

Dr. Shaoli Sarker

Dr. Shaoli Sarker

Associate Professor

MBBS (SSMC), FCPS (Paediatrics), Trained in Medical Genetics (ICMR course, SGPGI, India), Trained in Behaviour Management in Children( CCDD course, India)
Dr. Mohammod. Shah Jahan Chowdhury (Abdullah)

Dr. Mohammod. Shah Jahan Chowdhury (Abdullah)

Assistant Professor

FCPS (Paediatric Neurology & Development), MD (Paediatrics)(BSMMU), MBBS (DMC), BCS
Dr.Nusrat Shams

Dr.Nusrat Shams

Child Specialist & Child Neurologist

FCPS ( Paediatric Neurology & Development ), MD ( Paediatrics ), MBBS ( Dhaka Medical College ), BCS ( Health ),

FAQs

মানব শরীরের প্রতিটি কোষেই (cell) রয়েছে ক্রোমোজম (chromosome) । ক্রোমোসোম হলো সুতার মতো একটি বস্তু। এই ক্রোমোজমে থাকে অসংখ্য জিন। প্রতিটি কোষে অন্তত ২৫ হাজার জিন থাকে যা শরীরের প্রত্যেকটি কাজের বৈশিষ্টকে বহন করে। এইসকল জিনের গঠনে কোনো ত্রূটি/পরিবর্তন বা কোনো জিনের অনুপস্থিতিকেই জিনগত ত্রূটি বলা হয়। এইসকল ত্রুটি নির্ণয় করতে যেই টেস্ট করা হয় তাকেই জেনেটিক টেস্ট বলে।

জেনেটিক টেস্টের জন্য রোগীর রক্ত নমুনা হিসেবে নেয়া হয়ে থাকে। রক্তের কোষেও ডিএনএ উপস্থিত থাকে। সেই ডিএনএ এর সিকোএন্সিং এর মাধ্যমে জেনেটিক টেস্ট করা হয়। নিউরোজেন illumina এবং Oxford Nanopore Technologies জিনোম সিকোইয়েন্সিং Technology ব্যবহার করে থাকে এবং HPCC Computing ব্যবহার করে জেনেটিক রোগের জিনগত ত্রুটি নির্ণয় করে।

নিউরোজেনের Genetics and Genomic Medicine Centre (GGMC) থেকে জেনেটিক টেস্টের প্রতিটি রিপোর্ট ACMG (American College Of Medical Genetics and Genomics) গাইডলাইনকে অনুসরণ করে করা হয়। এইসকল রিপোর্ট পৃথিবীর যেকোনপ্রান্তে চিকিৎসার কাজে গ্রহণযোগ্য। নিউরোজেন illumina এবং Oxford Nanopore Technologies জিনোম সিকোইয়েন্সিং Technology ব্যবহার করে থাকে এবং HPCC Computing ব্যবহার করে জেনেটিক রোগের জিনগত ত্রুটি নির্ণয় করে।

রোগীর প্রথম এসেসমেন্ট এর পরে থেরাপিস্ট নিজেই একটি ধারণা দিতে পারবেনা যে রোগীর কিরকম উন্নতি হতে পারে এবং কতদিন সময় লাগতে পারে। কারণ একেক রোগীর ক্ষেত্রে উন্নয়ন একেক রকম দেখা যায়।

অটিজম, খিঁচুনি এবং অন্যান্য মানসিক ও বিকাশজনিত সমস্যা ও বিভিন্ন বিরল রোগের জিনগত যে কারণগুলো থাকে এবং এর চিকিৎসা গ্রহণের আগে ও পরে কি করণীয়, তা অভিজ্ঞ জেনেটিসিস্ট এর দ্বারা গ্রহণ করাকে জেনেটিক কাউন্সেলিং বলে। জেনেটিক কাউন্সেলিং দ্বারা, নিউরোজেনের জেনেটিসিস্ট বা জেনেটিক কাউন্সেলররা একজন পেশেন্ট এর জন্য জেনেটিক টেস্ট ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেই বিজ্ঞানভিত্তিক ধারণা দিয়ে থাকেন। জেনেটিক কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে পরিবারে কোনো নির্দিষ্ট রোগ বংশগতভাবে স্থানান্তরিত হবে কি না সেই পরামর্শ দেয়া হয়। একজন জেনেটিক কাউন্সেলর আপনাকে রোগের ধরণ অনুসারে সঠিক জেনেটিক টেস্টটি নির্বাচন করতে সহযোগিতা করবে এবং কিভাবে এই টেস্ট করানো হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিবে।

আমাদের ক্লিনিকে যেই কাউন্সেলিংটি করা হয়, সেটি মূলত জেনেটিক কাউন্সেলিং , এখানে জেনেটিক টেস্ট এবং এর গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত রোগীর অবিভাবকদের সাথে আলোচনা করা হয়।

একজন মানুষের জন্মের পরে যেকোনো বয়সেই এই টেস্ট করা সম্ভব। কারণ জন্মের পরে ডিএনএ এর প্যাটার্ন কখনো পরিবর্তন হয় না। তাই যেকোনো বয়সেই এই টেস্ট করা সম্ভব। জেনেটিক টেস্টের জন্য রোগীর রক্ত নমুনা হিসেবে নেয়া হয়ে থাকে। রক্তের কোষেও ডিএনএ উপস্থিত থাকে। সেই ডিএনএ এর সিকোএন্সিং এর মাধ্যমে জেনেটিক টেস্ট করা হয়।

মানব শরীরের প্রতিটি কোষেই (cell) রয়েছে ক্রোমোজম (chromosome) । ক্রোমোসোম হলো সুতার মতো একটি বস্তু। এই ক্রোমোজমে থাকে অসংখ্য জিন। প্রতিটি কোষে অন্তত ২৫ হাজার জিন থাকে যা একজন মানুষের চুলের রং থেকে শুরু করে শরীরের প্রত্যেকটি কাজের বৈশিষ্টকে বহন করে।

মানব শরীরের প্রতিটি কোষেই (cell) রয়েছে ক্রোমোজম (chromosome) । ক্রোমোসোম হলো সুতার মতো একটি বস্তু। এই ক্রোমোজমে থাকে অসংখ্য জিন। প্রতিটি কোষে অন্তত ২৫ হাজার জিন থাকে যা একজন মানুষের চুলের রং থেকে শুরু করে শরীরের প্রত্যেকটি কাজের বৈশিষ্টকে বহন করে। এইসকল জিনের গঠনে কোনো ত্রূটি/পরিবর্তন বা কোনো জিনের অনুপস্থিতিকেই জিনগত ত্রূটি বলা হয়।

পৃথিবীর প্রায় সবগুলো উন্নত দেশের গবেষণায় অটিজম, এপিলেপ্সি ও বিকাশজনিত সমস্যার মুল কারণ যে জেনেটিক সেটা এখন প্রমাণিত ও একটি সায়েন্টিফিক ফ্যাক্ট । আমাদের দেশেও এই সমস্যা গুলোর মুল কারণ জেনেটিক । অটিজম, খিঁচুনি ও শিশুদের বিকাশজনিত সমস্যার কার্যকরী ডায়াগনোসিস হয় জেনেটিক টেস্টের মাধ্যমে । জেনেটিক টেস্ট দ্বারা অল্প বয়সেই এইসকল জিনগত মিউটেশন কে শনাক্ত করলে দ্রুত চিকিৎসার পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব।

প্রাথমিক ভাবে জেনেটিক টেস্টকে ব্যায়বহুল মনে হলেও, ভবিষ্যৎ এ এটি অর্থনৈতিকভাবে একটি পরিবার কে সাহায্য করতে পারে। কারণ শিশুর জেনেটিক রোগটি নির্ণয় হওয়ার আগ পর্যন্ত একটি পরিবার বিভিন্ন জাগায় সঠিক ডায়াগনসিস এর জন্য যেয়ে থাকেন, এতে করে পরিবারের ভোগান্তি ও অর্থনৈতিক সমস্যা বাড়তে থাকে।